Breaking News

অ;ধ;স্ত’ন না’রীকে দিয়ে পা টেপা’নো, ভিডিও ভাই’রাল হতেই ব’হি;ষ্কা;র!

রেলওয়েতে কর্মরত অবস্থায় এক না’রীকে দিয়ে পা টেপানোর অভিযোগ উঠেছে সুকুমার অধিকারী নামের রেলের এক সাব-ইন্সপেক্টরের বি’রুদ্ধে। গত শুক্রবার দুপুরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বালুরঘাট স্টেশনের রেস্ট রুমের ভিতরে

এ ঘ’টনার পর ওই সাব ইন্সপেক্টরকে ব’হিষ্কার করা হয়েছে।জি নিউজের খবর, এনভিএফ কর্মী নিন্নি সাহা নামে এক না’রী সুকুমার অধিকারীর পা টি’পে দিচ্ছিলেন। সেই ভিডিও ভাইরাল হয়।

এরপরই সাব-ইন্সপেক্টর সুকুমার অধিকারীকে শিলিগুড়ি জিআরপিতে ক্লোজ করা হয়। শনিবার তাকে সাসপেন্ডও করা হয়। যদিও এই সাব-ইন্সপেক্টর সুকুমার অধিকারীর চাকরি আর মাত্র ৪ বছর ছিল।

রেলের অফিসার ইন-চার্জ প্রদীপ কর্মকার বলেন, ”এই স্টেশন চত্বরে আমাদের কোন ঘর নেই। আমাদের রেলের বিভিন্ন পু’লিশ কর্মকর্তারা থাকেন ওই ঘরে। অ’ভিযুক্ত সাব-ইন্সপেক্টর সুকুমার অধিকারীকে শিলিগুড়ি জিআরপি-তে ক্লোজ করা হয়েছে শুনেছি। তবে আমার কাছে এই বি’ষয়ে কোন চিঠি আসেনি

৫০ বছর ধরে বিয়ে পড়ান ভুয়া কাজি ! নিবন্ধ’ন না থাকার পরও বিয়ে পড়ানোর অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মোহাম্ম’দ মোসাদ্দেক হোসেন (৬১) নামে এক ব্যক্তিকে সোমবার দুপুরে বিয়ের আসর থেকে আ’টক করা হয়েছে। পৌর এলাকার কাউতলীর একটি হোটেল থেকে কাজি সমিতির নেতারা তাঁকে আ’টক করে পু’লিশের হাতে তুলে দেয়।

আ’টক মোসাদ্দেক জে’লার নবীনগর উপজে’লায় শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের বানিয়াচং গ্রামের মৃ’ত শরীফ উদ্দিনের ছেলে। তাঁর কাছ থেকে একটি বিয়ে নিবন্ধ’ন বই ও দুটি তালাক নিবন্ধ’ন বই এবং সিলমোহর উ’দ্ধার করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জে’লা কাজি সমিতির সভাপতি ইয়াহিয়া মাসুদ জানান, মোসাদ্দেক স’রকারের নিবন্ধিত কোনো কাজি নন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজি পরিচয়ে বিয়ে পড়িয়ে আসছিলেন। তাজ হোটেলে একটি বিয়ে নিবন্ধ’ন করার সময় কাজি সমিতির নেতারা তাঁকে হাতেনাতে আ’টক করেন। এরপর তাঁকে জে’লা রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি চ’ক্র ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধ’ন করে আসছে। মূ’লত নিবন্ধিত কাজিরা যেসব বিয়ের নিবন্ধ’ন কাজ প্রত্যাখ্যান করেন- ওই চ’ক্রটি সেসব বিয়ে নিবন্ধ’ন করে থাকে।

আ’টক মোসাদ্দেক জানান, তিনি ১৯৭১ সাল থেকে কাজির দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর কাগজপত্রের বৈধতা নিয়ে আ’দালতে মা’মলা আছে। মা’মলার একাধিক রায়ও তিনি পেয়েছেন।

জে’লা রেজিস্ট্রার স’রকার লুৎফুল কবির বলেন, আ’টক ব্যক্তি নিবন্ধিত কাজি নন। তাঁর বৈধতার পক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারেননি তিনি। এ ছাড়া

তাঁর কাছে পাওয়া নিবন্ধ’ন বইগুলোও নকল বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার পরিদর্শক (ত’দন্ত) মুহাম্ম’দ শাহজাহান জাহান, ওই ব্যক্তিকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ বি’ষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

Check Also

৭৭ বার চে,ষ্টা করেও ব,ন্ধুর স্ত্রী,কে গর্ভ,বতী করতে ব্যর্থ, মামলা

মোট ৭৭ বার চে,ষ্টা ক,রেও গর্ভব,তী করতে পারেন,নি স্বা,মীর বন্ধু। এ অভিযোগ এনে বন্ধু,র বি,রুদ্ধে …